শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

চতুর্থ দফায় ৪৭৭ পরিবারের ২০১৪ রোহিঙ্গা ভাসানচরে যাত্রা

ইমরান আল মাহমুদ, উখিয়া : আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নোয়াখালীর ভাসানচর যেতে চতুর্থ দফায় ৪৭৭ পরিবারের ২ হাজার ১৪ জন রোহিঙ্গা ৩৯ টি বাসে চট্টগ্রামের উদ্দ্যেশে রওনা হয়েছে। রোববার দুপুর দেড়টায় উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে তাদের বহনকারি এসব বাস রওনা দেয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তারা জানিয়েছে, কলেজটির ওই মাঠে আরো বেশ কয়েকটি বাস অবস্থান করছে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যেতে। এ দফায় কতজন রোহিঙ্গাকে ভাসানচর নেয়া হচ্ছে, সেই বিষয়ে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে স্থানীয়রা জানিয়েছে, এ যাত্রায় রওনা হওয়া বাসগুলোতে অন্তত সহস্রাধিক রোহিঙ্গা রয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যবাসন কমিশনার কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, অন্তত ৩ সহস্রাধিক রোহিঙ্গা চতুর্থ দফায় স্বেচ্ছায় ভাসানচর যেতে আগ্রহী। রোববার তাদেরই বাস যোগে চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে সেখান থেকে তাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রোহিঙ্গাদের বহনকারি বাসগুলোর সামনে ও পেছনে র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যদের কড়া নিরাপত্তা দিতে দেখা গেছে।

এর আগে প্রথম দফায় গত ৪ ডিসেম্বর কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে এক হাজার ৬৪২ জন, দ্বিতীয় দফায় গত ২৮ ডিসেম্বর এক হাজার ৮০৫ জন এবং তৃতীয় দফায় গত ২৯ ও ৩০ জানুয়ারী তিন হাজার ২০০ জনের বেশী রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

স্থানীয়রা বলছেন, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য শনিবার রাতেই উখিয়া ডিগ্রি কলেজ এবং কুতুপালং ক্যাম্প সংলগ্ন ঘুমধুম ট্রানজিট ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। এ নিয়ে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে জড়ো করা হয় অন্তত ৫০ টির বেশী বাস।

রোহিঙ্গা মাঝিদের মতে, যেসব রোহিঙ্গা ভাসানচর স্থানান্তরে রাজি হয়েছেন তাদেরকেই স্থানান্তর করা হচ্ছে।

তবে এর আগে দুইধাপে রোহিঙ্গাদের ভাসানচর নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। সেখানকার পরিবেশ, সুবিধা উখিয়া ও টেকনাফের ক্যা¤েপ আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জানালে স্বেচ্ছায় ভাসানচর যেতে রাজি হয় অন্য রোহিঙ্গারা। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহ¯পতিবার উখিয়ার অস্থায়ী ট্রানজিট ক্যা¤প থেকে কঠোর নিরাপত্তায় ৩৯টি বাসে করে ভাসানচরের উদ্দেশ্যে রোহিঙ্গাদের বিশাল বহর যাত্রা শুরু করে।

স্বেচ্ছায় ভাসানচর যেতে রাজি হওয়া রোহিঙ্গাদের বহরের সাথে এক্সট্রা বাস, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিম কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নৌবাহিনীর বুট ক্লাবে রাখা হবে এবং সব প্রক্রিয়া স¤পন্ন করে ভাসানচরের উদ্দেশ্যে জাহাজে করে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888